যেভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন | ব্যাখ্যাসহ সমাধান 2024 | ৬ষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ১ম অধ্যায়

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, কেমন আছেন সবাই? আজ আপনাদের জন্য ৬ষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ১ম অধ্যায় থেকে যেভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন তা ব্যাখ্যাসহ সমাধান করার জন্য বিস্তারিত আলোচনা করব।

যেভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন ব্যাখ্যাসহ সমাধান 2024 ৬ষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ১ম অধ্যায়
যেভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন ব্যাখ্যাসহ সমাধান 2024 ৬ষ্ঠ শ্রেণি বাংলা ১ম অধ্যায়

 

এই পোস্টের টপিকগুলি এক নজরে দেখে নিন

যেভাবে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন

নিচে কয়েকটি পরিস্থিতির উল্লেখ আছে। এসব পরিস্থিতিতে কী ধরনের যোগাযোগ হয়, ছোটো ছোটো দলে ভাগ হয়ে আলোচনা করো এবং ভূমিকাভিনয়ের মাধ্যমে উপস্থাপন করো।

১. রাতের খাওয়া শেষে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন

রাতের খাওয়া শেষে পরিবারের সবাই মিলে একসাথে কথা বলছি। সারাদিন কে কী করেছি, তা নিয়ে কথা হচ্ছে। এখানে রাতের খাওয়া শেষে এমন পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন যেভাবে। 

উত্তর : [রাত। বাড়ির সবাই একসাথে খাচ্ছি।]

মাসুম : আজ ক্লাসে অনেক মজা হয়েছে।

বাবা : কী হয়েছে?

মাসুম : আজ শিক্ষক ‘পণ্ডশ্রম’ কবিতাটি খুব মজা করে পড়িয়েছেন।

আমরা সুর করে ছন্দ মিলিয়ে একসাথে আবৃত্তি করেছি।

বাবা : এ তো খুব ভালো কথা।
মা : কালকের মাদরাসার পড়া শেষ করেছ?

মাসুম : হ্যাঁ মা, মাদরাসার সকল পড়া বিকালেই শেষ হয়েছে।

শ্রীমা : তোমার পড়া কখন শেষ করেছ, আবিদা?

আবিদা : আমার পড়া মাদরাসা থেকে এসেই শেষ করেছি মা।

মা : আচ্ছা, ঠিক আছে। খাওয়া শেষ করে দাঁত ব্রাশ করে ঘুমোতে যাবে।

মাসুম : ঠিক আছে মা।

পড়তে পারেনঃ অজানা রাশির জগৎ অনুশীলনী সমাধান | ৬ষ্ঠ শ্রেণীর গণিত সমাধান 2024

২. মুচির সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

মায়ের সঙ্গে ছেঁড়া জুতা সেলাই করাতে গিয়েছি। একজন মুচি রাস্তার মোড়ে বসে আছেন। তাঁর সাথে আমার ও মায়ের কথা হচ্ছে। এখানে মুচির সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ যেভাবে করবেন তা তুলে ধরা হলো। 

উত্তর:

আহসান: মা, আমার জুতা ছিড়ে গেছে।

মা : মেইন রোডে একজন মুচি বসে। আমি তোমাকে সাথে নিয়ে যাচ্ছি, চলো।

আহসান : চলো মা। আমি জুতাটি ব্যাগে ভরে নিয়েছি।

[রাস্তার পাশে মুচির কাছে গিয়ে…!

মা : আপনি ভালো আছেন?

মুচি : জি, ভালো আছি। আপনি?

মা : হ্যাঁ, আমি ভালো আছি আমার ছেলের জুতাটা ছিঁড়ে গেছে। একটু সেলাই/মেরামত করে দিন।

মুচি : জি, অবশ্যই আমাকে দিন। মুচি জুতা সেলাই করতে লাগলেন; মা এবং আহসান তা দেখতে লাগল।

মা : হয়ে গেছে?

মুচি : জি, এই নিন।

মা : কত দিতে হবে?

মুচি : ২০ টাকা

মা : এই নিন।

মুচি : ধন্যবাদ। আবার আসবেন।

৩. অসুস্থ রোগীর সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

হাসপাতালে অসুস্থ আত্মীয় ভর্তি হয়ে আছেন। বাবার সঙ্গে তাঁকে দেখতে গিয়েছি এবং তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছি। যেভাবে অসুস্থ রোগীর সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন। 

উত্তর:

মিতু : আমরা হাসপাতালে যাচ্ছি কেন বাবা?

বাবা : তোমার মামা বাইক অ্যাকসিডেন্ট করেছেন। তাকে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমরা এখন সেখানে যাচ্ছি।

মিতু : আচ্ছা।

[হাসপাতালে পৌঁছানোর পর]

বাবা : মাসুদ, তোমার পায়ের এখন কী অবস্থা?

মাসুদ মামা: ডাক্তার প্লাস্টার করে দিয়েছেন। নিয়মিত তত্ত্বাবধান করছেন। আর বলেছেন পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে। মিতু : মামা, তুমি অ্যাকসিডেন্ট কীভাবে করলে?

মাসুদ মামা: বৃষ্টি হওয়ার কারণে রাস্তা অনেক পিচ্ছিল ছিল ব্রেক করার পর আর হোন্ডার ভারসাম্য (ব্যালেন্স) বজায় রাখতে পারিনি

মিতু: ও! মামা তুমি শরীরের যত্ন নাও। আর চিকিৎসক যেসব ঔষধ গ্রহণ করতে বলেছেন তা নিয়মিত যথাসময়ে গ্রহণ করো। তুমি দ্রুতই সেরে উঠবে।

বাবা : যে কোনো প্রয়োজনে আমাকে ফোন করতে কোনো দ্বিধা করো না। আজ আসি।

মিতু: আসি মামা।

মামা : ঠিক আছে, সাবধানে যেও

৪. দোকানদারের সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

বাড়ির পাশের দোকানে এসেছি কিছু জিনিসপত্র কিনতে। দোকানদারের সাথে কথা বলছি। এখানে যেভাবে দোকানদারের সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন তা পাবেন। 

উত্তর:

যায়েদ : আপনার কাছে চাল আছে?

দোকানি: হ্যা, আছে

যায়েদ: আমাকে দুই কেজি চাল দিন

দোকানি: এই নাও বাবা।

যায়েদ: কত দিতে হবে আপনাকে?

দোকানি: ৫০ টাকা করে দুই কেজি ১০০ টাকা

যায়েদ: এই নিন চাচা।

দোকানি: ধন্যবাদ বাবা। আবার এসো

৫. অপরিচিত লোকের সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

কয়েকজন বন্ধু (মাদরাসা) স্কুল থেকে বাসায় ফিরছি একজন অপরিচিত লোক আমাদের কাছে এসে ঠিকানা জানতে চাইলেন। কিভাবে অপরিচিত লোকের সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করবেন? 

উত্তর:

আলম : আজ টিফিন পিরিয়ডে অনেক মজা হয়েছে।

আতিক: মতিউর আমাকে দৌঁড়ে ধরতেই পারেনি।

মতিউর: কাল দেখবি ঠিকই ধরে ফেলব।

একজন অপরিচিত লোক ওদের দিকেই এগিয়ে আসছিল। কাছে আসতেই হাতে থাকা একটি কাগজ বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন-।

আগন্তুক: দেখোতো বাবা, এ ঠিকানাটা কোথায়?

আতিক: দেখি [আতিক কাগজে লেখা দেখল ৫৮, রূপচান দাশ লেন, ঢাকা-১১০০।] আপনি কিছুদূর হাঁটলেই একটি হাসপাতাল দেখতে পাবেন। তারপর একটু সামনে এগুলেই হাতের ডানে একটি গলি পড়বে। সেটিই রূপচান দাশ লেন। আর ৫৮ নং বাড়িটি সম্ভবত কাগজিটোল’ সোশ্যাল ক্লাবের পাশেই হবে।

আগন্তুক: ধন্যবাদ।

আতিক: ঠিক আছে। আপনার দিন শুভ হোক।

৬. স্কুলের শিক্ষকের সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

কিছুদিন অসুস্থ থাকায় (মাদরাসায়) স্কুলে যেতে পারিনি। শ্রেণি- শিক্ষক বাড়িতে ফোন করে আমার সাথে কথা বলছেন। স্কুলের শিক্ষকের সাথে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ করার নিয়ম। 

উত্তর:

আসমা: আসসালামু আ’লাইকুম, স্যার

শিক্ষক: ওয়া আলাইকুমুস সালাম, কেমন আছো আসমা?

আসমা : আল্লাহর রহমতে ভালো আছি, স্যার। আপনি কেমন আছেন, স্যার?

শিক্ষক: লআল হামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে আমিও ভালো আছি। কয়েকদিন হলো তুমি মাদরাসায় আসছ না, তাই ফেন করেছি।

আসমা : দুঃখিত স্যার, আমার জ্বর হয়েছিল, তাই মাদরাসায় যেতে পারিনি।

শিক্ষক: আল্লাহ শেফা দান করুন তুমি অসুস্থ হয়েছো তা একবার ফোন করে তো জানাতে পারতে।

আসমা : দুঃখিত স্যার, প্রচণ্ড জ্বরে আমি একেবারে অচেতন হয়ে পড়েছিলাম আর আমার মা-বাবাও আমাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে ফোন করার কথা ভুলে গিয়েছিলেন।

শিক্ষক: ঠিকমতো চিকিৎসা নিয়েছো, এখন সুস্থ হয়েছো?

আসমা : পাশের বাড়ির ডাক্তার বাবু এসে ঔষধপত্র দিয়েছেন এখন আমি একটু সুস্থ হয়েছি, তবে শরীর খুব দুর্বল।

শিক্ষক: চিন্তা করো না আসমা, নিয়মিত ওষুধ খাও, বিশ্রাম নাও। পূর্ণ সুস্থ হলে পড়ে ক্লাসে আসবে। আসমা জি, স্যার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ এর ক্ষেত্রে বিবেচ্য  

পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ এর ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মর্যাদা বজায় রেখে যোগাযোগের ক্ষেত্রে বেসব বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিত বলে তোমার মনে হয়, সেগুলো নিচে লেখো।

ক) ……….…………………….…………………….…………………….…………………….…………………….……………

খ) ……….…………………….…………………….…………………….…………………….…………………….……………

গ) ……….…………………….…………………….…………………….…………………….…………………….……………

উত্তর: বিভিন্ন পরিস্থিতিতে মর্যাদা বজায় রেখে যোগাযোগের ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিত তা হলো-

  • ক. ব্যক্তির বয়স ও তার সাথে সম্পর্কের ধরন অনুযায়ী সম্বোধন করা।
  • খ. গলার স্বর: উচ্চৈঃস্বরে বা অনেক নিচু স্বরে কথা না বলা।
  • গ. ইতিবাচক অঙ্গভঙ্গি হাত, পা এবং শারীরিক অঙ্গভঙ্গি এমন থাকা যেন তা অসম্মান না বোঝায়।
  • ঘ. অন্য ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করা।
  • ঙ. যে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে সে প্রসঙ্গের মধ্যে থেকে কথা বলা।
  • চ. চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা।
  • ছ. অযাচিত/ব্যক্তিগত প্রশ্ন না করা
  • জ. সম্মানজনক শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা।
  • ঝ. স্থান ও পরিস্থিতির রীতিনীতি বিবেচনা করা।

ভাষায় মর্যাদার প্রকাশ

তুমি যেভাবে পরিবার এবং পরিবারের বাইরের মানুষের সাথে যোগাযোগ করো, সে অনুযায়ী নিচের ছকটি পূরণ করো। পূরণ করা ছকের মিল-অমিল নিয়ে সহপাঠীর সাথে আলোচনা করো।

কী বলি কাদের বলি
তুই, তোর, তোকে, তোরা, তোদের
সে, তার, তাকে, তারা, তাদের
তিনি, তাঁর, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের
ও, ওর, ওকে, ওরা, ওদের

 

……….…………………….…………………….…………………….…………………….…………………….…………………….…………………….……………

উত্তর:

যা বলি যাদের বলি
তুমি, তোমার, তোমাকে, তোমরা, তোমাদের মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও ঘনিষ্ঠজনকে।
 আপনি, আপনার, আপনাকে, আপনারা, আপনাদের শিক্ষক, বয়সে বড় আত্মীয় স্বজনকে এবং অপরিচিত লোকদেরকে।
তুই, তোর, তোকে, তোরা, তোদের অতি ঘনিষ্ঠজনকে অথবা কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে।
সে, তার, তাকে, তারা, তাদের সাধারণ লোকদেরকে।
 তিনি, তাঁর, তাঁকে, তাঁরা, তাঁদের  অতি সম্মানিত লোকদেরকে।
ও, ওর, ওকে, ওরা, ওদের
অতি ঘনিষ্ঠজনকে অথবা কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে।

 

মিল-অমিল নিয়ে সহপাঠীদের সাথে আলোচনা: আরিফ বলল, কেউ কেউ নিজের বাবা-মা ও ভাই-বোনকে আপনি বলে সম্বোধন করে। আমিও সেভাবেই করি। আনিস আবার তুমি বলে সম্বোধন করে। এভাবে জানো তো, সম্বোধনের ভাষা মিলে যায় আবার অমিলও হয়।

***নানা কারণে পরিবারে সবার সঙ্গে সবার কথা বলতে হয়। আত্মীয় ও প্রতিবেশীর সঙ্গেও কথা বলার দরকার হয়ে থাকে। এছাড়া সহপাঠীর সঙ্গে, শিক্ষকের সঙ্গে, বন্ধুর সঙ্গে, দোকানদারের সঙ্গে, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে নানা সময়ে কথা বলার দরকার হয়। এই যোগাযোগের ধরন এক রকমের হয় না। তা ছোটোদের সাথে এক রকম, সমবয়স্কদের সাথে এক রকম, বড়োদের সাথে এক রকম, আবার অপরিচিত লোকের সাথে আর এক রকম।

নিচের বাক্যগুলো দেখো। বাক্যগুলোতে কোন কোন শব্দে পরিবর্তন হয়েছে, তা চিহ্নিত করো।

তুমি কেমন আছ?

আপনি কেমন আছেন?

তুই কেমন আছিস?

সে কেমন আছে?

ও কেমন আছে?

উত্তর:

তুমি কেমন আছ?

আপনি কেমন আছেন?

তুই কেমন আছিস?

সে কেমন আছে?

ও কেমন আছে?

মর্যাদা অনুযায়ী সর্বনাম ও ক্রিয়া

তুমি, আপনি, তুই, সে, তিনি, ও-এগুলো সর্বনাম শব্দ। সর্বনাম শব্দ নামের বদলে বসে। সর্বনাম মূলত তিন ধরনের:

  • ১. সাধারণ সর্বনাম,
  • ২. মানী সর্বনাম,
  • ৩. ঘনিষ্ঠ সর্বনাম।

তুমি বলা যায় ভাই-বোনকে, ঘনিষ্ঠজনকে, বাবা-মাকে, বন্ধুকে। এগুলো সাধারণ সর্বনাম। আপনি করে বলতে হয় শিক্ষককে, বয়সে বড়ো আত্মীয়-স্বজনকে, অপরিচিত লোককে। এগুলো মানী সর্বনাম। কারো সঙ্গে অতি ঘনিষ্ঠতা থাকলে অথবা কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে তুই বলা হয়। এগুলো ঘনিষ্ঠ সর্বনাম।

সর্বনামের রূপ

সাধারণ সর্বনাম মাদী সর্বনাম ঘনিষ্ঠ সর্বনাম
তুমি, তোমার, তোমাকে, তোমরা, তোমাদের আপনি, আপনার, আপনাকে, আপনারা, আপনাদের তুই, তোরা, তোকে, তোদের
সে, তার, তাকে, তারা, তাদের তিনি, তাঁর, তাঁকে তাঁরা, তাদের ও, ওর, ওকে, ওরা, ওদের

 

বাক্যে যেসব শব্দ দিয়ে কাজ করা বোঝায়, সেগুলোকে ক্রিয়া বলে। যেমন- শোনা, বলা, পড়া, লেখা, খেলা, গাওয়া- এগুলো ক্রিয়া শব্দ। মর্যাদা অনুযায়ী সর্বনামের যেমন পরিবর্তন হয়, ক্রিয়ারও তেমনি পরিবর্তন হয়। নিচে সর্বনাম অনুযায়ী ‘করা’ ক্রিয়ার কয়েকটি রূপ দেখানো হলো:

ক্রিয়ার রূপ

সাধারণ সর্বনাম মানী সর্বনাম ঘনিষ্ঠ সর্বনাম
তুমি করো, তুমি করছ, তুমি করেছ, তুমি করতে, তুমি করেছিলে, তুমি করবে, তুমি কোরো। আপনি করুন, আপনি করছেন, আপনি করেছেন, আপনি করতেন, আপনি করেছিলেন, আপনি করবেন। তুই করিস, তুই করছিস, তুই করেছিস, তুই করতিস, তুই করেছিলি, তুই করবি।
সে করে, সে করছে, সে করেছে, সে করত, সে করেছিল, সে করবে। তিনি করেন, তিনি করছেন, তিনি করেছেন, তিনি করতেন, তিনি করেছিলেন, তিনি করবেন। ও করে, ও করছে, ও করেছে, ও করত, ও. করেছিল, ও করবে।

 

সর্বনাম ও ক্রিয়া দিয়ে বাক্য তৈরি করি

নিচের ছকের সর্বনাম অনুযায়ী যেকোনো ক্রিয়া ব্যবহার করে বাক্য তৈরি করো।

সর্বনাম ক্রিয়া বাক্য
১. তুমি/তোমরা
২. আপনি/আপনারা
৩. তুই/তোরা
৪. সে/তারা
৫. তিনি/তাঁরা
৬. ও/ওরা

 

উত্তর:

সর্বনাম ক্রিয়া বাক্য
১. তুমি/তোমরা খাওয়া তুমি/তোমরা আগে খেয়েছিলে।
২. আপনি/আপনারা পড়া আপনি/আপনারা কি নামাজ পড়েছেন?
৩. তুই/তোরা করা তুই/তোরা কবিতাটি মুখস্থ কর।
৪. সে/তারা বলা সে/তারা সভায় কথা বলেছিল।
৫. তিনি/তাঁরা দেওয়া তিনি/তাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিলেন।
৬. ও/ওরা শোনা ও/ওরা কানে শোনে না।

 

ভাষিক ও অভাষিক যোগাযোগ

মানুষ নানা প্রয়োজনে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করে। যোগাযোগ মূলত দুইভাবে হয়:

  • ১. ভাষিক যোগাযোগ
  • ২. অভাষিক যোগাযোগ

ভাষিক যোগাযোগ: ভাষিক যোগাযোগের প্রধান রূপ চারটি- শোনা, বলা, পড়া ও লেখা। এর মধ্যে বলা ও শোনার কাজে মুখ ও কানের ভূমিকা প্রধান। যন্ত্র থেকে তৈরি শব্দও আমরা কান দিয়ে শুনে থাকি। অন্যদিকে লেখা ও পড়ার কাজে হাত ও চোখ প্রধান ভূমিকা রাখে। যন্ত্রে লেখা শব্দও আমরা চোখ দিয়ে পড়তে পারি। কথা বলা, বই পড়া, ফোনে আলাপ করা ও বার্তা পাঠানো, রেডিও- টেলিভিশন শোনা ও দেখা, কাগজে লেখা বা কম্পিউটারে টাইপ করা ইত্যাদি ভাষিক যোগাযোগের উদাহরণ।

অভাষিক যোগাযোগ: যোগাযোগের ক্ষেত্রে কথা বলা ও লেখার | পাশাপাশি কিছু অভাষিক কৌশলও কাজে লাগানো হয়। তখন মুখভঙ্গি ও শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, হাত ও চোখের ইশারা, হাতের স্পর্শ, ছবি ও সংকেত ইত্যাদির ব্যবহার হয়।

যোগাযোগের অনুশীলন

এবার দলে ভাগ হয়ে নিচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ভূমিকাভিনয় করো। কথোপকথনের সময়ে খেয়াল রাখবে মর্যাদা অনুযায়ী যেন সর্বনাম ও ক্রিয়ার ব্যবহার হয়। এখানে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ এর অনুশীলন আলোচনা করা হবে। 

১. ছোট ভাই বায়না ধরলে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

বাইরে থেকে মাত্র বাড়ি ফিরেছ। এমন সময়ে তোমার ছোট ভাই তোমার সাথে খেলার বায়না ধরেছে। এ নিয়ে তার সাথে কথা হচ্ছে।  

উত্তর: দলগত কথোপকথন:

ইমরান: তুমি কোথায় গিয়েছিলে, ভাইয়া?

ভাইয়া: আমি বাজারে গিয়েছিলাম, কেন?

ইমরান: আমি তোমার সাথে খেলতে যাব।

ভাইয়া: কোথায় খেলতে যাবে, মাঠে?

ইমরান: হ্যাঁ, আমি মাঠে ফুটবল খেলতে যাবো। তোমার জন্য এতক্ষণ অপেক্ষা করেছি।

ভাইয়া: ঠিক আছে, তবে এই রোদে মাঠে খেলতে গেলে তুমি অসুস্থ হয়ে পড়বে। তার চেয়ে বরং আমরা বিকালে খেলতে যাবো।

ইমরান: ঠিক আছে, আমাকে বিকালে খেলতে নিয়ে যাবে। ভুলবে না তো?

ভাইয়া না, ভুলব না। এখন তুমি বাসার ভিতরে খেলতে থাক।

ইমরান: ঠিক আছে।

২. নতুন বই হাতে পেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

আজ নতুন বই হাতে পেয়েছ। খবরটি তোমার দাদা বা নানাকে ফোন করে জানাও।

উত্তর: দলগত কথোপকথন:

রাফিয়া : আসসালামু আলাইকুম নানা, কেমন আছেন?

নানা : ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আমি ভালো আছি, তুমি কেমন আছো?

রাফিয়া: আল্লাহর রহমতে ভালো আছি নানা। তবে নানি কেমন আছেন?

নানা : তোমার নানি খুব ভালো আছে। নানির কথা মনে হলো না কি?

রাফিয়া: নানা, আপনাকে একটি আনন্দের সংবাদ দিতে চাই।

নানা : কী সে আনন্দের সংবাদ! বল নানা ভাই, তাড়াতাড়ি বল।

রাফিয়া: নানা, আজকে আমি নতুন বই পেয়েছি।

নানা : খুব ভালো সংবাদ নানা ভাই। তবে শোনো, বইগুলো যত্ন করে রাখবে আর ভালোভাবে লেখাপড়া করবে।

রাফিয়া: অবশ্যই নানা। মাদরাসার ম্যাডামও বইগুলো যত্ন করে রাখতে বলেছেন এবং নিয়মিত মাদরাসায় যেতে বলেছেন

নানা : নিয়মিত মাদরাসায় যাবে। পড়ার সময় পড়বে আর খেলার সময় খেলবে।

রাফিয়া: তবে নানা, আমার তো নতুন ব্যাগ নেই।

নানা : আগামীকালই আমি তোমার জন্য একটি নতুন ব্যাগ নিয়ে আসব, কোনো চিন্তা করবে না cationb

রাফিয়া: তাহলে খুব আনন্দ হবে নানা।

নানা : এখন তবে রাখি, তুমি ভালো থাকো।

রাফিয়া : আপনিও ভালো থাকেন, আসসালামু আলাইকুম।

নানা : ওয়া আলাইকুমুস সালাম

৩. কেউ অসুস্থ হলে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

তোমার চাচা টেলিফোন করে জানালেন, তোমার চাচি অসুস্থ। এ নিয়ে চাচার সঙ্গে আলাপ করছ।

উত্তর: দলগত রুথোপকথন:

কুলসুম: হ্যালো, আসসালামু আলাইকুম চাচাজান, ভালো আছেন?

চাচা : হ্যাঁ, আল্লাহর ইচ্ছায় ভালো আছি, তবে তোমার চাচি আজ মধ্যরাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

কুলসুম: ইন্নালিল্লাহ! কী হয়েছে চাচির?

চাচা : সন্ধ্যারাত হতে তার মাথা ধরা ছিল। মধ্যরাতে হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তখনই হারুন দৌড়ে গিয়ে ডাক্তার নিয়ে বাড়ি আসে। ডাক্তার নাড়ি পরীক্ষা করে বলে কোনো সমস্যা হবে না, আমি ওষুধ দিচ্ছি- এই নিন।

কুলসুম: চাচি এখন কেমন আছেন? কথাবার্তা বলেন কি না?

চাচা : হ্যাঁ, আল্লাহর রহমতে এখন তার জ্ঞান ফিরেছে, সবাইকে চিনতে পারছে।

কুলসুম: সবশেষে ডাক্তার কী বলেছেন?

চাচা : তোমার চাচিকে বিশ্রামে রাখতে বলেছেন আর লো- প্রেসার দূর করার জন্য কিছু ভিটামিন খেতে বলেছেন।

কুলসুম: ঠিক আছে চাচা, তাকে বিশ্রামে রাখুন এবং তার প্রতি সর্বদা খেয়াল রাখবেন। আমরা আগামীকাল চাচিকে দেখতে আসব। কোনো চিন্তা করবেন না চাচা। আল্লাহ তাকে সুস্থ করবেন।

চাচা : দোয়া করিও, তোমার চাচি যাতে পূর্ণরূপে সুস্থ হয়ে উঠে।

কুলসুম: আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন। চাচি পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন। আসসালামু আলাইকুম।

চাচা : ওয়া আলাইকুমুস সালাম।

৪. দোকানির সাথে আলাপন পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

৪. বাসার কাছের দোকানে খাতা ও কলম কিনতে গিয়েছ। সবগুলো জিনিস কেনা শেষে দেখা গেল, তোমার কাছে কিছু টাকা কম পড়েছে। এ নিয়ে দোকানির সাথে কথা বলছ।

উত্তর : দলগত কথোপকথন:

হাসান : আসসালামু আলাইকুম, বড় ভাই।

দোকানি: ওয়া আলাইকুমুস সালাম, হাসান কেমন আছ?

হাসান আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়ালার রহমতে ভালো আছি

দোকানি: কোনো জিনিসপত্র লাগবে না কি?

হাসান: জি, ভাই। আমাকে দুটি অঙ্ক খাতা, একটি ইংরেজি খাতা এবং দুইটি কলম দিন।

দোকানি: একটু অপেক্ষা কর ভাই। -এই নাও তোমার জিনিসগুলো।

হাসান : দাম কত হয়েছে ভাই?

দোকানি: সর্বমোট একশ পঁচিশ টাকা।

হাসান: দুঃখিত ভাই! মনে কিছু করবেন না। আমার কাছে একশ দশ টাকা আছে। বাকিটা পরে দিলে চলবে কি-না? দোকানি কী বল ভাই, নিয়ে নাও। যখন সুযোগ হবে তখন দিলেই চলবে।

হাসান : অনেক ধন্যবাদ ভাই।

দোকানি: ধন্যবাদ। আবার আসবে।

৫. নতুন ছাত্রের সঙ্গে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

তোমার ক্লাসে একজন নতুন ছাত্র ভর্তি হয়েছে। তুমি তার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছ এবং তোমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছ।

উত্তর: দলগত কথোপকথন:

আবদুল্লাহ : আসসালামু আলাইকুম। আমি আবদুল্লাহ।

নতুন শিক্ষার্থী: ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমি আ. মালেক।

আবদুল্লাহ : আপনি কখন ভর্তি হয়েছেন এ মাদরাসায়, ভাই? আ. মালেক : গত মাসে এসে ভর্তি হয়েছিলাম। আজ থেকে ক্লাস করব, ইনশাআল্লাহ।

আবদুল্লাহ: ধন্যবাদ ভাই। আপনাকে পেয়ে আমরা খুব খুশি। তবে পঞ্চম শ্রেণিতে আপনি কোথায় পড়েছিলেন?

আ. মালেক : আমার গ্রামের ‘ক’ আলিম মাদরাসায় পড়েছিলাম।

আবদুল্লাহ: সেখানেই তো পড়তে পারতেন। আমাদের মাদরাসায় ভর্তি হলেন কী কারণে?

আ. মালেক : আপনাদের ‘ক’ মাদরাসায় পড়াশুনা ভালো হয়, ছাত্ররা আদর্শবান- এসব সুনাম শুনে ভর্তি হয়েছি।

আবদুল্লাহ : আপনি ঠিকই বলেছেন। আমাদের মাদরাসা প্রতি বছর বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকারের মর্যাদা অর্জন করে। তাছাড়া আমাদের শিক্ষকগণ আমাদের প্রতি যথেষ্ট যত্নবান। আমাদের মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও আদর্শবান। এখানে পড়াশুনা করলে আপনার আশা সফল হবে, ইনশাআল্লাহ।

আ. মালেক : দোয়া করবেন ভাই, আল্লাহ যেন আমার আশা পূরণ করেন।

আবদুল্লাহ: অবশ্যই, চেষ্টা করে যান। আল্লাহ আপনাকে কামিয়াব করবেন।

আ. মালেক ধন্যবাদ ভাই।

আবদুল্লাহ: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৬. জন্মদিনের অনুষ্ঠানে পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

পাশের বাড়িতে জন্মদিনের অনুষ্ঠান হচ্ছে। তুমি দাওয়াত পেয়েছ। সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে তুমি তোমার মায়ের সাথে কথা বলছ।

উত্তর: দলগত কথোপকথন:

আমি: মা, আমাদের ক্লাসের শহিদের আজ জন্মদিন পালিত হচ্ছে। আমাকে দাওয়াত দিয়েছে।

মা : খুব ভালো সংবাদ। তুমি কি সেখানে যাবে?

আমি: যাওয়া-তো উচিত। না গেলে ও মন খারাপ করবে। তাছাড়া ও জানে আমি আজ বাড়িতে আছি।

মা : তাহলে যাবে, অসুবিধা কী?

আমি: মা, ওর জন্মদিনে খালি হাতে কীভাবে যাব, তাছাড়া আমারতো নতুন কোনো শার্টও নেই।

মা : তা তো ঠিক বলেছ। আমার হাতে তো এখন টাকা নেই। তবে ওর জন্য একটি নতুন পাঞ্জাবি নিয়ে যাবে আর তোমার জামা ধুয়ে ইস্ত্রি করে নাও।

আমি: খুব মজা হবে।

আমি: সেটা খুব ভালো পরামর্শ, মা। তুমিও আমার সাথে যাবে? মা : হ্যাঁ, আমিও যাব। সুবোধ ছেলে আমার।

জরুরি যোগাযোগ 

অনেক সময়ে জুররি প্রয়োজনে কারো সঙ্গে বা কোনো সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। নিচে কিছু জরুরি পরিস্থিতি দেওয়া হলো। এমন পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ তুমি বা তোমরা কার সাথে যোগাযোগ করবে তা নিচে লেখো।

জরুরি পরিস্থিতি কার সঙ্গে যোগাযোগ করবে
১. তোমার এলাকার কোনো বাড়িতে আগুন লেগেছে।
২. খেলার মাঠে এক বন্ধু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
৩. ঝড়ের পরে বিদ্যুতের তার রাস্তায় পড়ে আছে।
৪. হারিয়ে যাওয়া কোনো শিশুকে খুঁজে পাওয়া গেছে।

 

উত্তর:

জরুরি পরিস্থিতি যার সঙ্গে যোগাযোগ করব
১. তোমার এলাকার কোনো বাড়িতে আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিস অফিসের ফোন নম্বরে কল করব।
২. খেলার মাঠে এক বন্ধু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ডাক্তার ডাকব। প্রয়োজনে হাসপাতালে নিয়ে যাব এবং অভিভাবককে জানাব।
৩. ঝড়ের পরে বিদ্যুতের তার রাস্তায় পড়ে আছে। বিদ্যুৎ অফিসের ফোন নম্বরে কল করে তাদেরকে জানাব।
৪. হারিয়ে যাওয়া কোনো শিশুকে খুঁজে পাওয়া গেছে। স্থানীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং মাইকে প্রচারণা করব।

 

পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ নিয়ে অতিরিক্ত প্রশ্ন ও উত্তর

পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

প্রশ্ন-১। যোগাযোগ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: যোগাযোগ বলতে ভাব-বিনিময়, তথ্য বা ভিন্ন মাধ্যমে কোনোকিছুর আদান-প্রদান প্রক্রিয়াকে বোঝায়।

প্রশ্ন-২। পরিস্থিতি বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: পরিস্থিতি বলতে পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে বোঝায়।

প্রশ্ন-৩। পরিস্থিতি ১-এ ভূমিকাভিনয় করছে কারা?

উত্তর: পরিস্থিতি ১-এ ভূমিকাভিনয় করছে বাবা, মেয়ে, মা ও ছেলে।

প্রশ্ন-৪। পরিস্থিতি ১-এ কোন সময়ে পরিবারের সবাই মিলে কথা বলছে?

উত্তর: পরিস্থিতি ১-এ রাতের খাওয়া শেষে পরিবারের সবাই মিলে কথা বলছে।

প্রশ্ন-৫। খাবার টেবিলের পাশে কী আছে?

উত্তর: খাবার টেবিলের পাশে ছোটো খাট আছে।

প্রশ্ন-৬। খাটে কে কে বসে আছে?

উত্তর: খাটে বাবা ও মেয়ে বসে আছে।

প্রশ্ন-৭। চেয়ারে কে কে বসে আছে?

উত্তর: চেয়ারে মা ও ছেলে বসে আছে।

প্রশ্ন-৮। পরিস্থিতি ২-এর বিষয়বস্তু কী?

উত্তর: পরিস্থিতি ২-এর বিষয়বস্তু হলো- ‘ছেঁড়া জুতা সেলাই করা’।

প্রশ্ন-৯। কে জুতা সেলাই করছেন?

উত্তর: মুচি জুতা সেলাই করছেন।

প্রশ্ন-১০। জুতা সেলাই করাতে কে কে গিয়েছে?

উত্তর: জুতা সেলাই করাতে মা ও ছেলে গিয়েছে।

প্রশ্ন-১১। মুচি কোথায় বসে আছেন?

উত্তর: মুচি রাস্তার পাশে বসে আছেন।

প্রশ্ন-১২। পরিস্থিতি ৩-এর বিষয়বস্তু কী?

উত্তর : পরিস্থিতি ৩-এর বিষয়বস্তু হলো- ‘হাসপাতালে অসুস্থ আত্মীয়’।

প্রশ্ন-১৩। হাসপাতালে কে ভর্তি আছেন?

উত্তর: হাসপাতালে অসুস্থ আত্মীয় ভর্তি আছেন।

প্রশ্ন-১৪। রোগীর পাশে কে দাঁড়িয়ে আছেন?

উত্তর: রোগীর পাশে বাবা দাঁড়িয়ে আছেন।

প্রশ্ন-১৫। মেয়েটি কোথায় বসে আছে?

উত্তর: মেয়েটি টুলে বসে আছে।

প্রশ্ন-১৬। অদূরে দাঁড়িয়ে আছেন কে?

উত্তর: অদূরে দাঁড়িয়ে আছেন নার্স।

প্রশ্ন-১৭। পরিস্থিতি ৪-এর বিষয়বস্তু কী?,

উত্তর: পরিস্থিতি ৪-এর বিষয়বস্তু হলো-‘মুদির দোকান’।

প্রশ্ন-১৮। দোকানদার কী দিয়ে ওজন করছেন?

উত্তর: দোকানদার দাঁড়িপাল্লা দিয়ে ওজন করছেন।

প্রশ্ন-১৯। দোকানের সামনে কে বা কারা দাঁড়িয়ে আছে?

উত্তর: দোকানের সামনে একজন কিশোর ও আরও দুজন ক্রেতা দাঁড়িয়ে আছে।

প্রশ্ন-২০। যিনি দোকান পরিচালনা করেন তাকে কী বলা হয়?

উত্তর: যিনি দোকান পরিচালনা করেন তাকে দোকানদার বলা হয়

প্রশ্ন-২১। ক্রেতার বিপরীত শব্দ কী?

উত্তর: ক্রেতার বিপরীত শব্দ বিক্রেতা।

প্রশ্ন-২২। পরিস্থিতি ৫-এর বিষয়বস্তু কী?

উত্তর: পরিস্থিতি ৫-এর বিষয়বস্তু হলো- ‘অপরিচিত লোকের সাথে কথা বলা।’

প্রশ্ন-২৩। অপরিচিত লোকটি কী জানতে চাইল?

উত্তর: অপরিচিত লোকটি আমাদের কাছে ঠিকানা জানতে চাইল।

প্রশ্ন-২৪। পরিস্থিতি ৫-এর পরিবেশটি কেমন?

উত্তর: পরিস্থিতি ৫-এর পরিবেশটি হলো- গ্রাম এলাকার একটি স্কুল, পাশে রাস্তা, একজন অপরিচিত লোক চারজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলছে।

প্রশ্ন-২৫। লোকটি কতজন ছেলেমেয়ের সঙ্গে কথা বলছে?

উত্তর: লোকটি চারজন ছেলেমেয়ের সঙ্গে কথা বলছে।

প্রশ্ন-২৬। পরিস্থিতি ৬-এর বিষয়বস্তু কী?

উত্তর: পরিস্থিতি ৬-এর বিষয়বস্তু হলো- শিক্ষার্থীর সঙ্গে শিক্ষকের ফোনালাপ।

প্রশ্ন-২৭। মেয়েটি কার সঙ্গে কথা বলছে?

উত্তর: মেয়েটি শ্রেণি-শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলছে?

প্রশ্ন-২৮। মেয়েটি কেমন করে ফোনে কথা বলছে?

উত্তর: মেয়েটি বিছানায় হেলান দিয়ে ফোনে কথা বলছে।

প্রশ্ন-২৯। মেয়েটির পাশে কে দাঁড়িয়ে আছে?

উত্তর: মেয়েটির পাশে তার মা দাঁড়িয়ে আছে।

প্রশ্ন-৩০। মেয়েটি স্কুলে যেতে পারেনি কেন?

উত্তর: কিছুদিন ধরে অসুস্থ থাকায় মেয়েটি স্কুলে যেতে পারেনি।

প্রশ্ন-৩১। ছোট্ট মেয়েটি মেঝেতে কী করছে?

উত্তর: ছোট্ট মেয়েটি মেঝেতে খেলা করছে।

প্রশ্ন-৩২। পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ বলতে কী বোঝ?

উত্তর: পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ বলতে পারিপার্শ্বিক অবস্থা অনুযায়ী অর্থাৎ পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী ভাবের আদান-প্রদান প্রক্রিয়াকে বোঝায়।

প্রশ্ন-৩৩। পরিস্থিতি ১-এ ভূমিকাভিনয়ের পরিবেশটি কেমন?

উত্তর: পরিস্থিতি ১-এ ভূমিকাভিনয়ের পরিবেশটি হচ্ছে রাতের খাওয়া শেষে খাওয়ার টেবিলের পাশে ছোটো খাটে বসা বাবা ও মেয়ে এবং পাশে দুটি চেয়ারে বসা মা ও ছেলে। সবাই সারাদিন কে কী করেছে তা বর্ণনা করছে।

ভাষায় মর্যাদার প্রকাশ

প্রশ্ন-১। ভাষায় মর্যাদা প্রকাশ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: বিভিন্ন কারণে পরিবার ও পরিবারের বাইরে অনেকের সঙ্গে কথা বলতে হয়, যোগাযোগ করতে হয়। সবার সঙ্গে সমানভাবে ভাব প্রকাশ করা যায় না। মর্যাদা অনুসারে ভিন্নতা রয়েছে। আমাদের আত্মীয়, প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলতে যে ভাষা প্রয়োগ করা প্রয়োজন, স্কুলের সহপাঠী কিংবা শিক্ষকের ক্ষেত্রে তা ভিন্ন। তেমনিভাবে প্রতিদিন আমাদের বন্ধুবান্ধব, সমবয়স্ক, বড়ো-ছোটো, দোকানদার, প্রতিবেশী, পরিচিত- অপরিচিত নানা লোকের সঙ্গে কথা বলতে হয়। যোগাযোগ করতে হয়। আর এই ধরনের যোগাযোগ এক রকমের নয়। ভাষায় মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে নানা সময়ে পাত্রভেদে ভিন্নতা প্রকাশকেই ভাষায় মর্যাদা প্রকাশ বলে।

মর্যাদা অনুযায়ী সর্বনাম ও ক্রিয়া

প্রশ্ন-১। ‘তুমি কেমন আছো?’ এখানে কোন সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে?

উত্তর: ‘তুমি কেমন আছ?’ এখানে সাধারণ সর্বনাম ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রশ্ন-২। ‘তিনি কেমন আছেন?’- কোন সর্বনামের উদাহরণ?

উত্তর: ‘তিনি কেমন আছেন?’- মানী সর্বনামের উদাহরণ।

প্রশ্ন-৩। অতি ঘনিষ্ঠ সর্বনাম কাদের সঙ্গে ব্যবহূত হয়?

উত্তর: অতি ঘনিষ্ঠ সর্বনাম ‘তুই’ সম্বোধন করে যাদের বলা হয় তাদের সঙ্গে বলতে হয়।

প্রশ্ন-৪। অপরিচিত লোকদের দলে কোন সর্বনাম ব্যবহার করতে হয়?

উত্তর: অপরিচিত লোকদের সঙ্গে মানী সর্বনাম ব্যবহার করতে হয়।

প্রশ্ন-৫। বাবা-মার সঙ্গে কোন সর্বনাম ব্যবহার করতে হয়?

প্রশ্ন-৬। ‘আপনি’ কোন সর্বনাম?

উত্তর: বাবা-মার সঙ্গে সাধারণ সর্বনাম ব্যবহার করতে হয়।

উত্তর: ‘আপনি’ মানী সর্বনাম।

প্রশ্ন-৭। ‘সে কেমন আছে?’ এখানে ‘সে’ কোন সর্বনাম?

উত্তর: ‘সে কেমন আছে?’ এখানে ‘সে’ সাধারণ সর্বনাম।

প্রশ্ন-৮। ক্রিয়া কাকে বলে?

উত্তর: বাক্যে যেসব শব্দ দিয়ে কাজ করা বোঝায়, সেগুলোকে ক্রিয়া বলে।

প্রশ্ন-৯। মর্যাদা অনুযায়ী সর্বনামের পরিবর্তন হলে ক্রিয়ার কী ঘটে?

উত্তর : মর্যাদা অনুযায়ী সর্বনামের পরিবর্তন হলে ক্রিয়ার পরিবর্তন ঘটে।

প্রশ্ন-১০। তুই, তোর, তোদের-এগুলো সর্বনামের কোন রূপ?

উত্তর: তুই, তোর, তোদের-এগুলো সর্বনামের ঘনিষ্ঠ রূপ।

প্রশ্ন-১১। ‘তিনি কাজটি করবেন।’ বাক্যটি কোন সর্বনামের রূপ?

উত্তর: ‘তিনি কাজটি করবেন।’-বাক্যটি মানী সর্বনামের রূপ।

প্রশ্ন-১২। ‘ও করে, ও করছে।’- এখানে ‘ও’ কোন সর্বনাম?

উত্তর: ‘ও করে, ও করছে।’- এখানে ‘ও’ ঘনিষ্ঠ সর্বনাম।

ভাষিক ও অভাষিক যোগাযোগ

প্রশ্ন-১। যোগাযোগ মূলত কত ভাবে হয়?

উত্তর: যোগাযোগ মূলত দুইভাবে হয়।

প্রশ্ন-২। মানুষ নানা প্রয়োজনে একে অন্যের সঙ্গে যে যোগাযোগ করে তা কী কী?

উত্তর: মানুষ নানা প্রয়োজনে একে অন্যের সঙ্গে যে যোগাযোগ করে তা হলো- ১. ভাষিক যোগাযোগ ও ২. অভাষিক যোগাযোগ।

প্রশ্ন-৩। ভাষিক যোগাযোগের প্রধান রূপ কয়টি ও কী কী?

উত্তর: ভাষিক যোগাযোগের প্রধান রূপ চারটি। যথা: শোনা, বলা, পড়া ও লেখা।

প্রশ্ন-৪। ভাষিক রূপ বলা ও শোনার কাজে কীসের ভূমিকা প্রধান?

উত্তর: ভাষিক রূপ বলা ও শোনার কাজে মুখ ও কানের ভূমিকা প্রধান।

প্রশ্ন-৫। ভাষিক যোগাযোগ কী?

উত্তর: ভাষিক যোগাযোগ বলতে মানুষ মুখ দিয়ে ভাষা প্রয়োগ করে কথা বলে এবং অন্যজন কান দিয়ে সরাসরি কিংবা কোনো যন্ত্রের মাধ্যমে তৈরি শব্দ শোনার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।

প্রশ্ন-৬। অভাষিক যোগাযোগ কী?

উত্তর: যোগাযোগের ক্ষেত্রে কথা বলা ও লেখার পাশাপাশি কিছু অভাষিক কৌশল; যেমন- মুখভঙ্গি, শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, হাত বা চোখের ইশারা, ছবি ও সংকেত ইত্যাদির ব্যবহার করে যে যোগাযোগ রক্ষা করা হয় তাই অভাষিক যোগাযোগ।

প্রশ্ন-৭। শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের ইশারা ভাষা এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল ভাষা কী ধরনের যোগাযোগ মাধ্যম?

উত্তর: শ্রবণ প্রতিবন্ধীদের ইশারা ভাষা এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের

জন্য ব্রেইল ভাষা অভাষিক যোগাযোগ মাধ্যম’।

নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নোত্তর

পরিস্থিতি অনুযায়ী যোগাযোগ

১. পরিস্থিতি বজায় রেখে কী করতে হয়?

ক) চলাফেরা

খ) যোগাযোগ

গ) কথাবার্তা

ঘ) লেনদেন

উ. খ

২. খাবার টেবিলের পাশে খাটের উপর কে কে বসা ছিল?

ক) মা-বাবা

খ) মা-ছেলে

গ) বাবা-মেয়ে

ঘ) ছেলে-মেয়ে

উ. গ

৩. পরিস্থিতি ১-এর রাতের খাবার শেষ করে সবাই মিলে কী করছে?

ক) টিভি দেখছে

খ) পড়াশুনা করছে

গ) খেলাধুলা করছে

ঘ) কথা বলছে

উ. ঘ

৪. জুতা সেলাই করেন-

ক) মুচি

খ) কুমার

গ) কামার

ঘ) তাঁতি

উ. ক

৫. পরিস্থিতি ২-এ বর্ণিত মুচি কোথায় বসে জুতা সেলাইয়ের কাজ করছেন?

ক) বাজারে

খ) হাসপাতালের সামনে

গ) রাস্তার পাশে

ঘ) চৌরাস্তায়

উ. গ

৬. ছেঁড়া জুতা সেলাই করতে কে গিয়েছিল?

ক) মা

খ) বাবা

গ) বড় ভাই

ঘ) আপু

উ. ক

৭. হাসপাতালে ভর্তি আছেন কে?

ক) প্রতিবেশী

খ) নানা

গ) খালু

ঘ) আত্নীয়

উ. ঘ

৮. হাসপাতালে ভর্তি অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে কে গিয়েছেন?

ক) মা

খ) বাবা

গ) কাকা

ঘ) বড় ভাই

উ. খ

৯. রোগীর সেবা করেন কে?

ক) তাঁতি

খ) মুচি

গ) নার্স

ঘ) আয়া

উ. গ

১০. যিনি মুদির দোকান পরিচালনা করেন তাকে কী বলে?

ক) দোকানদার

খ) বিক্রেতা

গ) দোকান-মালিক

ঘ) ক্রেতা

উ. ক

১১. যিনি জিনিসপত্র কিনতে আসেন তাকে কী বলে?

ক) দোকানদার

খ) ক্রেতা

গ) বিক্রেতা

ঘ) দোকান-মালিক

উ. খ

১২. পরিস্থিতি ৫-এ অপরিচিত লোকটি কী চাইলেন?

ক) পানি

খ) ভাড়ার টাকা

গ) পরিচয় জানতে

ঘ) ঠিকানা জানতে

উ. ঘ

১৩. অপরিচিত লোকটি কতজন ছেলেমেয়ের সাথে কথা বলছিলেন?

ক) তিন

খ) চার

গ) পাঁচ

ঘ) ছয়

উ. খ

১৪. পরিস্থিতি ৬-এ মেয়েটি কার সঙ্গে ফোনে কথা বলছে?

ক) দাদার সঙ্গে

খ) মামার সঙ্গে

গ) ডাক্তারের সঙ্গে

ঘ) শিক্ষকের সঙ্গে

উ. ঘ

ভাষায় মর্যাদার প্রকাশ

১৫. অপরিচিত লোকদের সঙ্গে কথা বলতে হলে কী বলে সম্বোধন করতে হয়?

ক) তুই

খ) আপনি

গ) তুমি

ঘ) সে

উ. খ

১৬. সমবয়স্কদের সঙ্গে কী বলে সম্বোধন করতে হয়?

ক) তুমি

খ) সে

গ) আপনি

ঘ) তিনি

উ. ক

১৭. ‘তিনি, তাঁর, তাঁকে, তাঁরা’ সম্বোধনগুলো কাদের করতে হয়?

ক) সমবয়সিদের

খ) ছোটোদের

গ) বড়োদের

ঘ) সম্মানিত ব্যক্তিদের

উ. ঘ

১৮. ‘তুই কেমন আছিস?’ বাক্যটির মানী সম্বোধনে কী হবে?

ক) তুমি কেমন আছো?

খ) আপনি কেমন আছেন?

গ) ও কেমন আছে?

ঘ) সে কেমন আছে?

উ. খ

মর্যাদা অনুযায়ী সর্বনাম ও ক্রিয়া

১৯. সর্বনাম মূলত কয় ধরনের?

ক) দুই

খ) চার

গ) তিন

ঘ) পাঁচ

উ. গ

২০. ভাই-বোনদের সঙ্গে কথা বলতে কোন সর্বনাম ব্যবহার করতে হয়?

ক) সাধারণ

খ) ঘনিষ্ঠ

গ) মানী

ঘ) তুচ্ছ

উ. ক

২১. ‘তুই’ কোন সর্বনামের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?

ক) সাধারণ

খ) মানী

গ) ঘনিষ্ঠ

ঘ) বিশিষ্ট

উ. গ

২২. নিচের কোনটি মানী সর্বনাম?

ক) তুমি, তোমার

খ) আপনি, আপনার

গ) তোরা, তোদের

ঘ) তারা, তাদের

উ. খ

২৩. বাক্যে যেসব শব্দ দিয়ে কাজ করা বোঝায় তাকে কী বলে?

ক) বিশেষ্য

খ) বিশেষণ

গ) সর্বনাম

ঘ) ক্রিয়া

উ. ঘ

২৪. শোনা, বলা, পড়া, লেখা, খেলা এগুলো কী শব্দ?

ক) বিশেষ্য

খ) বিশেষণ

গ) সর্বনাম

ঘ) ক্রিয়া

উ. ঘ

২৫. নিচের কোনটি ঘনিষ্ঠ সর্বনামের উদাহরণ?

ক) তুমি করো

খ) তুই করিস

গ) আপনি করুন

ঘ) ও করে

উ. খ

২৬. নিচের কোনটি মানী সর্বনামের উদাহরণ?

ক) তুমি করেছো

খ) আপনি করেছেন

গ) তুই করেছিস

ঘ) ও করেছে

উ. খ

২৭. ‘সে করবে’ কোন সর্বনামের উদাহরণ?

ক) সাধারণ

খ) ঘনিষ্ঠ

গ) আপনি করেছেন

ঘ) ও করেছে

উ. ক

২৮. ‘তোরা আগামীকাল মাদরাসা এলে কথা বলব।’- এখানে ‘তোরা’ কোন সর্বনাম হিসেবে ব্যবহূত হয়েছে?

ক) সাধারণ

খ) ঘনিষ্ঠ

গ) মানী

ঘ) তুচ্ছ

উ. খ

২৯. ‘গতকাল ফুফু আমাদের বাড়ি এসেছেন। এখানে ‘এসেছেন’ ক্রিয়াটি কোন সর্বনামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

ক) সাধারণ

খ) ঘনিষ্ঠ

গ) মানী

ঘ) তুচ্ছ

উ. গ

৩০. কাউকে তৃচ্ছতাচ্ছিল করে কথা বলার সময় কোন সর্বনাম ব্যবহার করা হয়?

ক) তুমি

খ) আপনি

গ) তিনি

ঘ) তুই

উ. ঘ

ভাষিক ও অভাষিক যোগাযোগ

৩১. যোগাযোগ মূলত কয়ভাবে হয়ে থাকে?

ক) দুই

খ) চার

গ) তিন

ঘ) পাঁচ

উ. ক

৩২. ভাষিক যোগাযোগের প্রধান রূপ কয়টি?

ক) দুই

খ) তিন

গ) চার

ঘ) পাঁচ

উ. গ

৩৩. ভাষিক যোগাযোগের প্রধান রূপ কী কী?

ক) শোনা ও বলা

খ) বলা ও পড়া

গ) শোনা, বলা ও পড়া

ঘ) শোনা, বলা, পড়া ও লেখা

উ. ঘ

৩৪. ভাষিক যোগাযোগের রূপের মধ্যে মুখ ও কানের ভূমিকা হলো-

ক) শোনা ও বলা

খ) পড়া ও লেখা

গ) বলা ও পড়া

ঘ) লেখা ও শোনা

উ. ক

৩৫. ‘ফয়সাল কম্পিউটারে টাইপ করছে।’- বাক্যটিতে কোন ধরনের যোগাযোগ রক্ষিত হয়েছে?

ক) ভাষিক যোগাযোগ

খ) আবেগীয় যোগাযোগ

গ) অভাষিক যোগাযোগ

ঘ) ইশারা যোগাযোগ

উ. গ

৩৬. নিচের কোনটি ভাষিক যোগাযোগ?

ক) বই পড়া

খ) ইশারা করা

গ) মুখ ভ্যাংচানো

ঘ) অঙ্গভঙ্গি করা

উ. ক

৩৭. শ্রবণ ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের যোগাযোগকে ধরনেরযোগাযোগ বলে?

ক) ভাষিক যোগাযোগ

খ) অভাষিক যোগাযোগ

গ) আবেগীয় যোগাযোগ

ঘ) ইশারা যোগাযোগ

উ. খ

৩৮. নিচের কোনটি অভাষিক যোগাযোগ?

ক) বই পড়া

খ) টিভি দেখা

গ) ফোনে কথা বলা

ঘ) চোখে ইশারা করা

উ. ঘ

অন্যান্য পড়াশুনা

পরিবারের সবাই মিলে কথা বলছে- রাতের খাওয়া শেষে।

মুচি বসে আছেন- রাস্তার মোড়ে।

হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আছে- একজন অসুস্থ আত্মীয়।

ঠিকানা জানতে চায়- একজন অপরিচিত লোক।

সর্বনাম মূলত- তিন ধরনের।

যোগাযোগ হয় মূলত- দুইভাবে।

ভাষিক যোগাযোগের প্রধান রূপ চারটি। যথা- শোনা, বলা, পড়া ও লেখা।

Visited 1,602 times, 13 visit(s) today

Leave a Comment